জার্মানির জব/ওয়ার্ক পারমিট ভিসাহলো এমন একটি ভিসা, যার মাধ্যমে কোনো বিদেশি নাগরিক জার্মানিতে বৈধভাবে কাজ করতে পারেন—যদি তার কাছে আগে থেকেই জার্মানির কোনো কোম্পানির চাকরির অফার (Job Offer / Contract) থাকে। এটি Employment Visa নামেও পরিচিত। এটি চাকরির চুক্তির ভিত্তিতে দেওয়া হয়। ভিসা পাওয়ার পর জার্মানিতে গিয়ে সরাসরি কাজ শুরু করা যায়।
যাদের কাছে জার্মান নিয়োগকর্তার অফিসিয়াল জব অফার বা কন্ট্রাক্ট আছে। যাদের স্বীকৃত ডিগ্রি বা প্রফেশনাল কোয়ালিফিকেশন আছে। কাজের ধরন অনুযায়ী ভাষা দক্ষতা (জার্মান/ইংরেজি) থাকলে সুবিধা হয়।
চাকরির সুযোগ অনেক বেশি। জার্মানিতে Skilled Worker-এর ঘাটতি আছে। বিশেষ করে IT, Engineering, Healthcare, Nursing, Mechanics, Construction, Logistics সেক্টরে। বিদেশিদের জন্য চাকরির বাজার দিন দিন খুলছে।
ভালো বেতন ও জীবনমান। ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতি। ন্যূনতম বেতন আইন দ্বারা নির্ধারিত। ওভারটাইম, পেইড লিভ, বোনাস ইত্যাদি সুবিধা থাকে।
Work–Life Balance খুব ভালো। সপ্তাহে সাধারণত ৪০ ঘণ্টা কাজ। বছরে ২০–৩০ দিন পেইড ছুটি। পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য সময় থাকে।
ফ্রি বা কম খরচে শিক্ষা। জার্মানিতে কাজ করার সময়। নিজের পড়াশোনা এবং সন্তানের শিক্ষার জন্য অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় টিউশন ফ্রি।
পরিবার নিয়ে যাওয়ার সুযোগ। ওয়ার্ক ভিসায় Spouse ও Children নেওয়া যায়। Spouse আলাদা ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াই কাজ করতে পারে।
স্থায়ী বসবাস ও নাগরিকত্বের সুযোগ। ২১–৩৩ মাসে Permanent Residence (EU Blue Card হলে আরও দ্রুত)। নির্দিষ্ট সময় পরে German Citizenship।
সামাজিক নিরাপত্তা ও সুবিধা। ফ্রি/ভালো মানের Healthcare। পেনশন, বেকার ভাতা, চাইল্ড বেনিফিট। শক্তিশালী শ্রম আইন।
ইউরোপে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। জার্মানি থেকে অন্য ইউরোপিয়ান দেশে কাজের সুযোগ। আন্তর্জাতিক এক্সপোজার ও শক্ত CV।
বৈধ পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬–১২ মাস ভ্যালিড)
ভিসা আবেদন ফরম (National Visa – D Type)
বায়োমেট্রিক ছবি (২ কপি)
Cover Letter / Motivation Letter
জব অফার বা এমপ্লয়মেন্ট কন্ট্রাক্ট (জার্মান কোম্পানি থেকে)
Employer Declaration / Job Description (কিছু ক্ষেত্রে)
শিক্ষাগত সনদ (ডিগ্রি/ডিপ্লোমা)
একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট
প্রফেশনাল লাইসেন্স (যদি লাগে)
Anabin ডাটাবেজে ডিগ্রি রিকগনিশনের প্রমাণ
অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট / রেফারেন্স লেটার
আপডেটেড CV (Europass ফরম্যাট হলে ভালো)
জার্মান ভাষা সার্টিফিকেট (A2/B1) – যদি প্রয়োজন হয়
অথবা ইংরেজি ভাষা প্রমাণ (IELTS ইত্যাদি, কাজভেদে)
হেলথ ইন্স্যুরেন্স (ভিসা ও জার্মানি প্রবেশের জন্য)
ব্যাংক স্টেটমেন্ট / বেতন উল্লেখ (কন্ট্রাক্টে থাকলে আলাদা করে নাও লাগতে পারে)
আমরা আপনাকে One-Stop Service দিয়ে থাকি। জার্মান ভাষা শেখানো থেকে শুরু করে আপনার জন্য উপযুক্ত কোম্পানি খুঁজে বের করা এবং ভিসা প্রসেসিংয়ে সহায়তা করা। আপনি ঘরে বসেই অনলাইনে যুক্ত হয়ে সব সার্ভিস নিতে পারবেন।
সরাসরি লাইভ ভিডিও কলে ফ্রি কাউন্সেলিংয়ের জন্য এখনই Appointment বুক করুন।
📱 WhatsApp: +49 162 4103508